All posts by ashanur2020

DESCRIPTION Hello friend…..!!! I am Dr. Ashanur Rahman. Welcome to my website !!! Here you can learn about homeopathy dilution mother tutoring and biochemical treatment of various diseases in Bengal. These videos and posts of mine will help homeopathic as well as biochemical and dilution medical fans or patients in choosing medicine. May my published videos and posts be dedicated to the welfare of the people. This is my wish to the Creator !! If you want to know more about homeopathy and biochemistry then share my posts more !!! Thank you for visiting my website.

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় খেজুর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় খেজুর

খেজুর পুষ্টিমানে যেমন সমৃদ্ধ, তেমনি এর রয়েছে অসাধারণ কিছু ঔষধিগুণ। চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয়েছে, সারা বছর খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া, এই ফলটিতে রয়েছে প্রাণঘাতী রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা।

চলুন জেনে নেই খেজুরের কিছু ঔষধি গুণাগুণ;

১. রুচি বাড়াতে খেজুরের কোন তুলনা হয় না। অনেক শিশুরা তেমন একটা খেতে চায় না, তাদেরকে নিয়মিত খেজুর খেতে দিলে রুচি ফিরে আসবে।

২. তুলনামূলকভাবে শক্ত খেজুরকে পানিতে ভিজিয়ে (সারা রাত) সেই পানি খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। তাজা খেজুর নরম এবং মাংসল যা সহজেই হজম হয়।

৩. হৃদপিণ্ডের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন খেজুর খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। গবেষণায় দেখা যায়, পুরোরাত খেজুর পানিতে ভিজিয়ে সকালে পিষে খাওয়ার অভ্যাস হার্টের রোগীর সুস্থতায় কাজ করে।

৪. ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই ফল দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল বিদ্যমান থাকায় অনেক রোগ নিরাময় করা সম্ভব। সাথে সাথে আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে।

৫. খুব দুর্বল লাগছে অথবা দেহে এনার্জির অভাব হচ্ছে? তাহলে ঝটপট খেয়ে নিন খেজুর। তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহের ক্ষেত্রে খেজুরের তুলনা নেই।

৬. খেজুর বিভিন্ন ক্যান্সার থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন খেজুর লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

৭. খেজুরের মধ্যে রয়েছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার ও বিভিন্ন ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড যা সহজে খাবার হজমে সহায়তা করে। এতে করে খাবার হজম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

৮. খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়। ফলে ওজন বেশি বাড়ে না, সঠিক ওজনে দেহকে সুন্দর রাখা যায়।

৯. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য খেজুর খুবই উপকারী।

খাবার খাওয়ার পরে ভুলেও করবেন না যে ৫ কাজ

খাবার খাওয়ার পরে ভুলেও করবেন না যে ৫ কাজ

আমরা যা খাই, তার প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরে। সঠিক নিয়ম মেনে সঠিক খাবার খেলে যেমন স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, তেমনই নিয়ম না মেনে ভুল খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়। আজ আমরা আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে আলোচনা করব খাওয়ার পরে যে পাঁচ কাজ কখনোই করা উচিত নয়, তাই নিয়ে-

।১। ভরা পেটে কখনোই ফল খাবেন না। খালি পেটে ফল খেলে তবেই তার খাদ্যগুণ আমাদের শরীরে শোষিত হয়। তাই খাওয়ার বেশ কিছুটা সময় পরে ফল খান। খাবার খেয়েই ফল খেলে হজমের সমস্যাও দেখা দেয়।

২। খাওয়ার পরেই আমাদের অনেকেরই ঘুম পায়। তাই খেয়ে উঠেই বিছানায় যেতে আমরা বেশ পছন্দ করি। কিন্তু এটা অত্যন্ত খারাপ অভ্যেস। খেয়ে উঠেই শুয়ে পড়লে ওজন তো বাড়বেই, সেই সঙ্গে হজমের সমস্যাও দেখা দেবে। তাই খেয়ে উঠে অন্তত এক ঘণ্টা পরে বিছানায় যান।

৩। খাবার পরেই অনেকে ধূমপান করেন। কিন্তু জানেন কি, ভরা পেটে ধূমপান করলে তা শরীরের বেশি ক্ষতি করে। তবে ভরা পেট বা খালি পেট নয়, ধূমপান পরিহার করাই সর্বাপেক্ষা শ্রেয়।

৪। পেটভর্তি করে খেয়ে অনেকেই কোমরের বেল্ট একটু হালকা করে নেন। এটিও কিন্তু খারাপ অভ্যাস। প্রথম কথা কখনোই পেট এতটা ভর্তি করে খাওয়া উচিত নয়, যাতে কোমরের বেল্ট হালকা করতে হয়।

৫। জল খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কিন্তু খেয়ে উঠেই জল পান করবেন না। খাবার খেয়েই পানি খেলে তা হজমে সহায়ক গ্যাসট্রিক রসকে হালকা করে দেয়। ফলে খাবার ঠিকমতো হজম হতে চায় না। সেই রকমই খেয়ে উঠেই চা বা কফি খাওয়া ঠিক নয়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা

দেশী ফলগুলোর মধ্যে পেয়ারা বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি ফল। সাধারণ এবং সহজলভ্য এই ফলটির পুষ্টিগুণ অনেক। শুধু ফল নয়, পেয়ারা পাতায়ও রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ।

পেয়ারার পুষ্টিগুণ:পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ। একটি পেয়ারাতে ৪ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে একটি মাঝারি আকৃতির কমলা থেকে। ১০ গুণ বেশি ভিটামিন এ রয়েছে লেবুর তুলনায়। এছাড়া ভিটামিন বি২, ই, কে, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, কপার, আয়রন, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম রয়েছে।

উপকারিতা:১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিপেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগের সাথে যুদ্ধ করার শক্তি প্রদান করে।

২। ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাসপেয়ারাতে লাইকোপিন, ভিটামিন সি, কোয়ারসেটিন এর মত অনেকগুলো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা শরীরের ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করে। এটি প্রোসটেট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৩। হার্ট সুস্থ রাখতে১৯৯৩ সালে “Journal of Human Hypertension” এ প্রকাশিত হয় যে নিয়মিত পেয়ারা খেলে রক্ত চাপ ও রক্তের লিপিড কমে। পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, ভিটামিন সি রয়েছে। পটাশিয়াম নিয়মিত হৃদস্পন্দনের এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ভাবে লাইকোপিন সমৃদ্ধ গোলাপি পেয়ারা খেলে কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকি কমায়।

৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেচাইনিজ চিকিৎসা শাস্ত্ররে অনেক বছর ধরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা ব্যবহার হয়ে আসছে। ১৯৮৩ সালে American Journal of Chinese Medicine প্রকাশ করেন যে, পেয়ারার রসে থাকা উপাদান ডায়াবেটিস মেলাইটাসের চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে পেয়ারা পাতাও বেশ কার্যকর। কচি পেয়ারা পাতা শুকিয়ে মিহি গুঁড়ো করে ১ কাপ গরম জলে ১ চা চামচ দিয়ে

৫ মিনিট ঢেকে রেখে তারপর ছেঁকে নিয়ে পান করতে পারেন প্রতিদিন।৫। ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতেবিভিন্ন ঠান্ডাজনিত সমস্যা যেমন ব্রংকাইটিস সারিয়ে তুলতে ভূমিকা রাখে পেয়ারা। উচ্চ পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন সি থাকায় এটি শ্লেষ্মা কমিয়ে দেয়। তবে কাঁচা পেয়ারা ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে কার্যকর।

৬। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৭। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতেভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন এ কর্নিয়াকে সুস্থ রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেয়ারা রাখুন। কাঁচা পেয়ারা ভিটামিন এ এর ভাল উৎস।

ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় :

ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় :

ক্যান্সার রাতারাতি হয় না। দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনধারার ফলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তবে আপনি চাইলেই এখন এ ঝুঁকি কমাতে পারেন। শুধু আপনার খাদ্য তালিকায় যোগ করতে হবে কিছু খাবার।ক্যান্সার প্রতিরোধক খাবার সম্পর্কে জেনে নিন;

চিনিযুক্ত পানীয় বাদ দিন : চিনিযুক্ত পানীয় স্থূলতা এবং ডায়াবেটিস হওয়ার মূল কারণ। জনস্বাস্থ্য মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল থেকে গবেষণা করে দেখা গেছে, চিনিযুক্ত পানীয় পানে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে প্রায় ৮৭ শতাংশ পর্যন্ত। তাই চিনিযুক্ত পানীয় যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

রসুন : এই তীব্র কটু ঔষধি অ্যালাইল সালফার যৌগ যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে ইমিউন সিস্টেম তৈরি করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে রসুন কোলন ক্যান্সারের কম ঝুঁকি ৫০ শতাংশ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া রসুন হার্টের জন্যও খুবই উপকারী।

নিয়মিত বাদাম খান : বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি। যারা প্রতিনিয়ত বাদাম খান তাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি এমনিতেই কমে যায়। কারণ বাদাম শ্বসনতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে ক্যান্সারের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। যেহেতু বিভিন্ন কারণে ক্যান্সার হতে পারে,তাই বাদাম শুধু সামান্য কিছু কারণের ঝুঁকি কমাতে পারে।

অ্যালকোহল পরিহার করুন : অতিরিক্ত অ্যালকোহল মুখ, গলা, খাদ্যনালী, এবং স্বরযন্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।তাই অ্যালকোহল পুরোপুরি পরিহার করতে হবে।

বসে থাকার অভ্যাস কমাতে হবে : একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে যারা দিনের বেশির ভাগ সময় বসে কাটায় তাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে ২৪ শতাংশ বেশি। তাই একটানা বসে না থেকে এক ঘন্টায় অন্তত কয়েক মিনিটের জন্য হলেও চারপাশে পায়চারি করাতে হবে।

Nux vomica

🍎 নাক্স ভমিকা🍏Nux vomica

নাক্স অল্পমাত্রায় খেলে ক্ষুধা,বল ও রতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।বেশী খেলে ষ্টীকনিয়ার মত ধনুষ্টঙ্কার রোগের লক্ষণ সমূহ প্রকাশ পায়। তাই পরিমিত মাত্রায় সেবন করা উচিত।

Nux vomica – নাক্স ভমিকা পেট ব্যথার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। খাওয়া-দাওয়ার কোন গন্ডগোলের কারণে পেট ব্যথা হলে এটি প্রয়োগ করতে হয়। গলব্লাডার বা কিডনী রোগ যে-কারণেই পেট ব্যথা হোক না কেন। শীতকাতর এবং বদমেজাজী লোকদের বেলায় এটি ভালো কাজ করে।

Nux vomica – যারা (মৃগীরোগী) অধিকাংশ সময়ে বদহজমে ভোগে, বদমেজাজী এবং অল্প শীতেই কাতর হয়ে পড়ে, এটি তাদের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে থাকে এবং মুখের ওপর পোকা হাটতেছে এমন মনে হয়।

Nux vomica – নাক্স ভমিকা ঔষধটি ক্ষুধা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ঔষধ। যারা পরিশ্রমের কাজ কম করে কিন্তু টেনশন বেশী করে, দিনের বেশীর ভাগ সময় চেয়ারে বসে থাকে, সারা বছরই পেটের গন্ডগোল লেগেই থাকে, শীত সহ্য করতে পারে না…..এই ধরণের লোকদের ক্ষেত্রে নাক্স ভমিকা ভালো কাজ করে।

Nux vomica – মদ-ফেনসিডিল দীর্ঘদিন সেবনে শরীরের যে ক্ষতি হয়, নাক্স ভমিকা তাকে পুষিয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি এটি মদ-ফেনসিডিলের নেশা ছাড়তে ব্যবহার করতে পারেন। মাত্রা হবে নিম্নশক্তিতে (Q, ৩, ৬ ইত্যাদি) ৫ থেকে ১০ ফোটা করে রোজ তিনবার।

Nux vomica – ভয়ানক বদমেজাজের জন্য নাক্স ভমিকা, ক্যামোমিলা কিংবা ক্যালি আয়োড। 🍑নাক্স এর রোগীর চেম্বারে প্রকাশিত একটি সুন্দর

Nux vomica – নাক্স ভমিকা পেট ব্যথারহলো আপনি তাকে প্রশ্ন করবেন আর এতে সে বিরক্তবোধ করবে । একটা পর্যায়ে সে রাগে খটখট করে আপনাকে বলবে এত প্রশ্ন করেন কেন. ?? এত প্রশ্ন না করে আমার সমস্যার ঔষধ দেন । রোগের কথাতো বলছিই আপনাকে । রেপার্টরীতে এই আচরণটির রুব্রিক হলো — Anger — answer; when obliged to —–নাক্সের মার্কামারা একটি বৈশিষ্ট্য হলো সকালে বৃদ্ধি । মানসিক বা শারীরিক যেকোন ক্ষেত্রে সকালে বৃদ্ধি; সকালে বিষন্নতা; দুঃখবোধ সকালে ইত্যাদি🍑হোমিওপ্যাথিতে কোষ্টকাঠিন্যের জন্য সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত ঔষধ হলো নাক্স ভমিকা। দিনরাতের বেশীর ভাগ সময় শুয়ে-বসে কাটায়, ভয়ঙ্কর বদমেজাজী, শীতকাতর, কথার বিরোধীতা সহ্য করতে পারে না ইত্যাদি লক্ষণ থাকলে এটি ভালো কাজ করে। বিশেষত যারা দীর্ঘদিন পায়খানা নরম করার এলোপ্যাথিক ঔষধ খেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে এটি বেশী প্রযোজ্য। অনেক হোমিও বিজ্ঞানী কোষ্টকাঠিন্য এবং পাইলসের রোগীদেরকে সকালে সালফার এবং সন্ধ্যায় নাক্স ভমিকা- এভাবে খেতে দিতেন। কেননা এই দুটি ঔষধ একে অন্যকে সাহায্য করে।নাক্সের মেটেরিয়া মেডিকা অনেক বড় সো আজ এ পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন।সুস্হ জীবন,সুন্দর থাকার প্রধান উপকরন।শুভরাত্রী।

🌿সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনাছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।⛳আপনারা যদি মনে করেন লেখাগুলো আপনার জন্য উপকারি তাহলে আরেক ভাইয়ের জন্যও হয়তো উপকারি হবে , আপনি কষ্ট করে লেখাটি শেয়ার করলে অন্য ভাইও লেখা পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারবেন। তাই শেয়ার করুন এবং পেজে লাইক বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। আর এ জন্য ইনভাইট অপসানে গিয়ে বন্ধুদেরকে পেজ লাইকের ইনভাইট পাঠান।মনে রাখবেন জানার কোন শেষ নেই ।

Alumina

🌴এলুমিনা Alumina⏰

পুংজননেন্দ্রিয় দুর্বলতা, ধ্বজভঙ্গ ও স্বপ্নদোষ। সঙ্গম প্রবৃত্তি কমিয়া যায় এবং সময়ে সময়ে একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। মলত্যাগকালীন কোঁথ দিবার সময় শুক্রক্ষরণ, তহার জন্য ধ্বজভঙ্গের লক্ষণ । ইহার অপব্যবহার ও অতি ব্যবহার জনিত জননেন্দ্রিয় দুর্বল হইয়া পড়ে।

🌷বর্ণনা : এলুমিনাম হাইডোসাইড নামক একপ্রকার গন্ধ বিহীন মিহি গুড়া। জলে ঢালিয়া দিলে আঠার মত পদার্থ সৃষ্টি হয়

🌷উৎস : এমোনিয়া এলুম এবং এমোনিয়ার দ্রবণের রাসায়নিক পদ্ধতিতে ইহা প্রস্তুত হইয়া থাকে

🌷আবিষ্কার : ডাঃ হ্যানিমান নিজেই আবিষ্কার করেন।

🌷ক্রিয়াস্থান : স্নায়ুমন্ডল, মস্তিষ্ক, মেরুদন্ড, চর্ম, কোষ্ঠবন্ধতা, রক্তস্রাব, কাশি ও স্ত্রীলোকদের পীড়ায়।

🌷ধাতু : যে সকল রোগী বহু দিন যাবত পুরাতন পীড়ায় কষ্ট পাইতেছে এবং যে সকল শিশু কৃত্রিম পানাহারে দ্ধারা প্রতিপালিত তাহাদের পীড়ায় ব্যবহৃত হয়। ইহার রোগী সাধারণতঃ কোচকানো চর্ম, ক্ষীণদেহ নারী।

🌷প্রয়োগক্ষেত্র : চর্ম ও শ্লৈম্মিক ঝিল্লীর শুষ্কতা, পেশী সমূহের পক্ষাঘাত, কোষ্ঠবন্ধতা, প্রস্রাবের পীড়া, শুক্র স্খলন, প্রমেহ, স্ত্রীপীড়া, শ্বাস পীড়া, গলনালীর পীড়া, চক্ষু, নাসিকা ও কর্ণের পীড়া।

🌷মানসিক লক্ষণ :১. রোগী কোন সিদ্ধান্তেই পৌছিতে পারেনা। যে জিনিস গুলি তাহার নিকট জানা ছিল সেগুলি তাহার নিকট কোন প্রয়োজন নেই বলিয়া বোধ হয়।২. চিন্তা শক্তির বিশৃংখল অবন্থা।৩. মনে হয় যেন সবকিছু দেরীতে হইতেছে। সময় যেন অতি ধীরে কাটে। এক ঘন্টার সময় এক দিন মনে হয়। ৪. কোন ধারাল অস্ত্র রক্ত দেখিলে কাঁপিতে থাকে এবং আত্নহত্যা করার প্রবৃত্তি জাগে।৫. মনের বিশৃংখলার জন্য রোগী মনে করে যেন সে পাগল হইয়া যাইতেছে।৬. রোগী খুবই দুঃখিত, কাতর, খিটখিটে। নানা প্রকার কল্পনা করে।৭. প্রাতে ঘুম ভাঙ্গিবার পর অধিকাংশ লক্ষণ প্রকাশ পায়। নিদ্রা ভঙ্গের পর ক্রন্দন। সময়ে সময়ে স্থির ও শান্ত পরক্ষণে ভীতি ও শংকাগ্রস্ত।৮. সব ব্যাপারে তাড়াতাড়ি ভাবে।

🌷চরিত্রগত লক্ষণ :১. অত্যান্ত কোষ্টবন্ধতা। বাহ্যের সময় জোরে বেগ দিলে শক্ত ও গাঁট আমমিশ্রিত বাহ্য হয়। সরলান্ত্রের ক্রিয়াহীনতা হেতু নরম হইলেও অনেক জোরে কোঁথ পাড়িতে হয়।২. চক্ষু বুজাইয়া চলিতে বলিলে অাদৌ চলিতে পারে না, হোঁচট খায়, পড়িয়া যায়।৩. বহুদিন হইতে পুরাতন ঢেকুর উঠে, সন্ধ্যায় বৃদ্ধি।৪. শ্বেত-প্রদরস্রাব পরিমাণে থুব বেশী, পা বাহিয়া গোড়ালীতে পড়ে।৫. ঋতুস্রাবের পর শারীরিক ও মানসিক ভীষণ দুর্বলতা, এমন কি কথা কহিতেও অক্ষম।৬. গায়ের চামড়া শুষ্ক খসখসে, ঘাম হয় না (ক্যালকেরিয়ার বিপরীত)। ৭. শরীরের স্বাভাবিক তাপের হ্রাস, দুর্বলতা বশতঃ অল্প বয়সে বৃদ্ধ হইয়া পড়ে।৮. শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য, মাটি, কয়লা, লবণ, চা, খড়ি, কফি, টক দ্রব্য এবং যাহা অতি সহজে হজম হওয়ার কথা নয় তাহাই খায়।৯. হলুদ, মুরিচ এবং লবণ খাইলে কাশি বাড়ে।১০. বাহ্যের সময় বেগ না দিলে প্রস্রাব হয় না। যখনই প্রস্রাব ত্যাগ করিতে যায় তখনই বাহ্য হইবার উপক্রম হইয়া থাকে।১১. সামান্যতেই মাথায় ঠান্ডা লাগে।১২. চক্ষু ঝাপসা, যেন কুয়াশার মধ্যে আছে এমনটি দেখে।১৩. পতিদিন প্রাতঃকালে থাকিয়া থাকিয়া অল্প অল্প শুষ্ক কাশি হয়। একটু সাদা শ্লেষ্মা উঠিয়া গেলে কাশি কমিয়া যায়।

🌷কোষ্ঠবন্ধ ও উদরাময় :অত্যন্ত কোষ্ঠকাঠিন্য, মল যেন পাথরের ন্যায় কাঠিন, কখনো কখনো এক সাপ্তাহে কাল পর্যন্ত মলত্যাগের বেগ বা কোনও ইচ্ছা থাকে না, বাহ্যের সময় অত্যন্ত বেগ দিতে হয়। তরল মল হইলেও জোরে বেহ না দিলে সহজে বাহ্যে হয় না। বাহ্যের মত প্রস্রাবও ঔরুপ বেগ দিতে হয়। পেটে অধিক পরিমাণে মল না জমিলে মলত্যাগের ইচ্ছা বা ক্ষমতা একেবারে থাকে না।

🌷কাশি :আলজিব বাড়াজনিত কাশি ও প্রাতঃকালীন শুষ্ক কাশি এবং অনেক কষ্টে একটু শ্লেষ্মা উঠিয়া যদি কাশির উপশম হয় ইহাতে বিশেষ উপকার হয়।

🌷স্ত্রী-ব্যাধি :রোগিনী অত্যন্ত দুর্ব্বল, চেহারা ফেকাসে ও রক্তহীন, আদৌ পরিশ্রম করিতে পারে না, রজঃস্রাব অত্যান্ত বিলম্বে হয়, তাহাও অত্যন্ত অল্প ও রক্তে রং লাল নহে, কেবলমাত্র একটু ফিকে রং গোলা জলের মত দেখায়।

🌷রুচি :এলিউমিনার রোগীর রুচি অত্যন্ত আশ্চর্য্যজনক, তাহারা দেওয়ালের বালী, চুণকাম, শ্লেটগুড়া, চা-খড়ি, পাতা, ভাতের ফেণ, চাউল, নেকড়া, কাপড়ছেঁড়া ইত্যাদি খায় বা খাইতে ইচ্ছা করে। চা, কফি, টক বস্তু ভালবাসে। আলু খাইলে রোগ বৃদ্ধি হয়।

🌷চক্ষুপীড়া : ঝাপসা দৃষ্টি, যেন কুয়াশার মধ্য দিয়া দেখিতেছে, পাতা ঝুলিয়া পড়ে, রোগী মনে করে তাহার চক্ষুর সম্মুখে চুল বা পালক রহিয়াছে, তজ্জন্য ক্রমাগত চক্ষু রহড়ায়। সমস্ত কিছু হলদে দেখতে পায়। চক্ষুর পাতায় ছোট ছোট ফুষ্কুড়ি।

🌷সর্দ্দি :পুরাতন সর্দ্দি স্রাব, নাসিকার ভিতর শুষ্ক, ফোঁপাইলে শক্ত শ্লেষ্মা বাহির হয়, নাসিকার গোড়ায় বেদনা, যেন ক্ষত হইয়াছে। নাসিকার ডগা লালবর্ণ দেখায়, কোনও জিনিসের গন্ধ পায় না।

🌷গলনালীর পীড়া :আলজিব বাড়া ও গলনালীর ক্ষত, গিলিবার সময় মনে হয় গলার মধ্যে ফুলিয়া যেন কি একটা আটকাইয়া রহিয়াছে। শুষ্কভাব, কোষ্ঠবন্ধ এবং বাহ্যে ও প্রস্রাবের সঙ্গে বেগ দিতে হয়।

🌷চর্ম্মপীড়া :চর্ম্ম শুষ্ক, খসখসে, অপরিষ্কার, ভয়ানক চুলকানি, যে পর্যন্ত না রক্ত বাহির হয় সে পর্যন্ত চুলকাইতে থাকে, বিছানার গরমে বা সামান্য একটুমাত্র গরমে থাকিলে সমস্ত শরীরে চুলকানি আরম্ভ হয়। চর্ম্মরোগ সহ কোষ্ঠবন্ধ।পুংজননেন্দ্রিয় :

🌷বৃদ্ধি :শীতকালে, শীতল বায়ূতে, আমবস্যা ও পূর্ণিমায় এবং শ্বেতসার জাতীয় খাদ্যে, ঋতুস্রাবের পর, বিছানার গরমে, নিদ্রার পর।

🌷হ্রাস : গ্রীষ্মকালে, চুপচাপ থাকিলে।

🌷সম্বন্ধযুক্ত ঔষধ :বৃদ্ধদের পীড়ায় – কোনিয়াম, আর্জ্জেন্ট ও ব্যারাইটা।পীড়া তরুন অবস্থায় – ব্রায়োনিয়া। পুরাতন অবস্থায় – এলুমিনা।

🌷অনুপুরক :ব্রায়োনিয়া, আর্জ্জেন্ট মেট।

🌷ক্রিয়ানাশক :ইপিকাক, ক্যামোমিলা, ক্যাষ্ফার।

🌷 ক্রিয়া স্থিতিকাল :৪০ হইতে ৬০ দিন। ( ক্রিয়া ধীরে প্রকাশ পায় তাহার জন্য ঔষধ শীঘ্র পরিবর্ত্তন করা যাবেনা )।

🌿সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনাছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।

⛳আপনারা যদি মনে করেন লেখাগুলো আপনার জন্য উপকারি তাহলে আরেক ভাইয়ের জন্যও হয়তো উপকারি হবে , আপনি কষ্ট করে লেখাটি শেয়ার করলে অন্য ভাইও লেখা পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারবেন। তাই শেয়ার করুন এবং পেজে লাইক বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। আর এ জন্য ইনভাইট অপসানে গিয়ে বন্ধুদেরকে পেজ লাইকের ইনভাইট পাঠান।মনে রাখবেন জানার কোন শেষ নেই ।