Tag Archives: ফলের উপকারিতা

NUX MOSCHATAজায়ফল

NUX MOSCHATA
জায়ফল

অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার প্রবণতা হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতার সাথে মানিয়ে যায়। ঠান্ডা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, শ্লেষ্মা ঝিল্লি এবং ত্বকের চরম শুষ্কতা । অদ্ভুত অনুভূতি, সঙ্গে অপ্রতিরোধ্য তন্দ্রা । ইন্ডিকানুরিয়া। তীব্র আক্রমণের সময় অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার সাধারণ প্রবণতা। লিপোথাইমিয়া ( ইগনাটিয়া )। হাঁটার চেষ্টায় স্তব্ধ।

মন।— পরিবর্তনশীল; হাসছে এবং কাঁদছে বিভ্রান্ত, প্রতিবন্ধী স্মৃতি। স্বপ্নের মতো বিভ্রান্তিকর অনুভূতি। মনে করে তার দুটি মাথা আছে।

মাথা।– খোলা বাতাসে হাঁটার সময় ভার্টিগো; একটু বেশি খেলে ব্যথা হয়। বিস্তৃতির অনুভূতি, ঘুমের সাথে । মাথায় স্পন্দন। মাথা ফাটার সংবেদন। বাতাসের খসড়াতে সামান্যতম স্পর্শে সংবেদনশীল। মাথাব্যথা ফেটে যাওয়া; ভাল কঠিন চাপ ।

চোখ।– বস্তুগুলো দেখতে বড়, অনেক দূরের, বা অদৃশ্য হয়ে যায়। চোখের সামনে মটকা। মাইড্রিয়াসিস।

নাক।– গন্ধের প্রতি অতি সংবেদনশীল; নাক দিয়ে রক্ত ​​পড়া, গাঢ় রক্ত; শুকনো, বন্ধ

মুখ।– খুব শুষ্ক। জিহ্বা মুখের ছাদে লেগে থাকে; কিন্তু জলের কোন ইচ্ছা নেই। তুলোর মত লালা ( Berb )। গর্ভাবস্থায় দাঁত ব্যথা। জিহ্বা অসাড়, পক্ষাঘাতগ্রস্ত। গলার শুষ্কতা।

পেট।– অতিরিক্তভাবে ফোলা। ফ্ল্যাটুলেন্ট ডিসপেপসিয়া । হিক্কা, এবং উচ্চ পাকা খাবারের জন্য লালসা। পেটে গাউটের পশ্চাদপসরণ।

পেট।— অন্ত্রের পক্ষাঘাতজনিত দুর্বলতা। ব্যাপকভাবে বিস্তৃত । মল নরম, এবং তবুও এটি বের করতে অক্ষম , এমনকি দীর্ঘ স্ট্রেনিং ( আলুম ) সহ। মল চলাকালীন বা পরে অজ্ঞানতা । প্রসারিত পাইলস।

মহিলা .— জরায়ু রক্তক্ষরণ। মাসিক খুব দীর্ঘ, গাঢ়, পুরু। Leucorrhśa কর্দমাক্ত এবং রক্তাক্ত. দমন, অবিরাম মূর্ছা যাওয়ার আক্রমণ এবং তন্দ্রা ( কালী গ ) সহ। মাসিকের পরিবর্তনশীলতা সময় ও পরিমাণের অনিয়ম ।

শ্বাসযন্ত্র.— বাতাসের বিপরীতে হাঁটা থেকে কণ্ঠস্বর হ্রাস ( Hep )। বিছানায় গরম হলে কাশি।

হৃদয়।— কাঁপানো, ঝাঁকুনি। সংবেদন যেন কিছু হৃদয় আঁকড়ে ধরেছে। ধড়ফড়; নাড়ি বিরতি

Extremities.— ডান নিতম্ব থেকে হাঁটু পর্যন্ত ব্যথা; খারাপ, গতি, বিশেষ করে উপরে যাওয়া। পা ভিজে যাওয়া থেকে বাত, খসড়ার সংস্পর্শে আসা থেকে। শুকনো, গরম কাপড় দ্বারা বাত উপশম। সামান্য পরিশ্রমে ক্লান্তি।

ঘুম.– মহান তন্দ্রা ( ইন্দোল )। অভিযোগের কারণে ঘুম আসে । কোমা।

জ্বর।– বাম হাতে ঠাণ্ডা শুরু হয় (কার্বো)। শীতলতা এবং তৃষ্ণা ছাড়া তাপ; ঘাম চাই শুষ্ক ত্বক এবং ভেতরের অংশ, এছাড়াও চোখ, নাক, ঠোঁট, মুখ, জিহ্বা, গলা ইত্যাদি।

মোডালিটিস।— খারাপ , ঠান্ডা আর্দ্র বাতাস, ঠান্ডা খাবার, ঠান্ডা ধোয়া, বেদনাদায়ক দিকে শুয়ে থাকা, গতি, জার। ভাল , উষ্ণ, শুষ্ক আবহাওয়া।

সম্পর্ক।– Oleum myristicae -জায়ফলের তেল– (ফোঁড়া, ফেলন, বিষাক্ত আলসারের প্রতিকার হিসাবে, এটি 2x শক্তিতে ব্যবহৃত হয়েছে); অরনিথোগালাম ( পেট ফাঁপা , বুকের নিচের অংশে ফোলা অনুভূতি; যখনই সে বিছানায় শুয়ে থাকে, মনে হয় যেন এক থলি পানিও ঘুরছে ; গ্যাস্ট্রিক আলসার এবং ক্যান্সার)। Myristica Sebifera (কফের প্রদাহ, দ্রুত suppuration; শক্তিশালী অ্যান্টিসেপটিক। সমস্ত টিস্যুতে আলসারেটিভ প্রবণতা। হেপার এবং সিলিকার চেয়ে বেশি শক্তিশালী কাজ করতে বলা হয়)।

তুলনা করুন: Nux v; ডাল; Rhus; ইগন; আসাফ ।

প্রতিষেধক: ক্যাম্প; জেল; ভ্যালার _

ডোজ।— প্রথম থেকে ষষ্ঠ ক্ষমতা।

মুখে গোটা বেরনো বা ব্রণ হওয়াটা খুবই সাধারণ একটা সমস্যা। কিন্তু যখন এই সমস্যা হয়, তখন জীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে।

মুখে গোটা বেরনো বা ব্রণ হওয়াটা খুবই সাধারণ একটা সমস্যা। কিন্তু যখন এই সমস্যা হয়, তখন জীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। বয়ঃসন্ধির সময় তো বটেই নানা বয়সেই এই সমস্যা হতে পারে। লোমকূপের তলায় তৈলনিঃসরণ গ্রন্থি এবং মৃত কোষের জুগলবন্দিতে এই সমস্যা হয়। ব্রণ বেরলে অনেকেই দৌড়ান চিকিৎসকের কাছে। আবার অনেকেই দামি ক্রিম বা ওষুধ ব্যবহার করতে শুরু করেন। কিন্তু বাড়িতে হাতের কাছেই রয়েছে এমন অনেক উপাদান, যা দিয়ে অতি সহজে সমাধান করা যায় এই সমস্যার।

শসা

কেবল খাদ্যগুণই নয়, শসার নানা গুণ রয়েছে। তার মধ্যে একটা অবশ্যই ত্বকের কাজে লাগা। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি এবং ই। এর প্রতিটিই ত্বকের জন্য মারাত্মক ভালো। শসা থেঁতো করে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। এছাড়াও শসাকে অন্যভাবে ব্যবহার করতে পারেন। শসা গোল গোল করে কেটে অন্তত একঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানি খেয়েও নিতে পারেন, বা ওই পানি দিয়ে মুখও ধুয়ে নিতে পারেন।

টুথপেস্ট

ফেসপ্যাকের মতো করে ব্যবহার করতে পারেন টুথপেস্ট। মুখের অতিরিক্ত তেল টেনে নেওয়ায়র ক্ষমতা আছে এই পেস্টের। ফলে তৈলাক্ত ত্বকের কারণে যাদের মুখে ব্রণ বা গোটা বেরয়, তারা টুথপেস্ট ব্যবহার করে উপকার পেতে পারেন। তবে বেশি নয়, খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহার করুন ব্রণের জায়গায়। সমস্যা না হলে পরিমাণ বাড়ান।

গ্রিন টি

গ্রিন টি গোটা বা ব্রণের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকরী। গরম পানি গ্রিন টি বানান। তারপর সেই গ্রিন টি একদম ঠাণ্ডা করে ব্রণ বা গোটার জায়গায় ব্যবহার করুন। তুলায় ভিজিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ভালো করে ত্বকের ওপর মিশতে পারবে চায়ের মিশ্রণটি। যদি টি ব্য়াগ থেকে গ্রিন টি বানান, তাহলে ঠাণ্ডা গ্রিন টি ব্যাগটিও রাখতে পারেন ত্বকের ওপর। মিনিট ২০ রাখার পর ধুয়ে নিন।

অ্যাসপিরিন

খাওয়ার ওষুধ হিসেবেই নয়, ব্রণ বা গোটা সারাতেও এই ওষুধের জুড়ি নেই। এতে থাকা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ব্রণ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে দেয়। চার-পাঁচটা ট্যাবলেট প্রথমে গুঁড়িয়ে নিন। তারপর সেগুলো অল্প পানির সঙ্গে মেশান। এমনভাবে মেশাবেন, যাতে একটা পেস্ট তৈরি হয়। রাতে শুতে যাওয়ার আগে পেস্ট আক্রান্ত জায়গায় লাগান। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক খুব স্পর্শকাতর হলে, কয়েক মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে নিতে পারেন।

রসুন

রসুন ব্রণের বড় শত্রু। এটি ব্যবহার করাও খুব সহজ। এক-দুই কোয়া রসুন দুই টুকরা করে কেটে নিন। তারপর ব্রণের জায়গায় রসটা লাগান। মিনট পাঁচেক পরে ধুয়ে ফেলুন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে এটা করলে পরদিন সকালে ত্বকের উন্নতি টের পাবেন।

লেবুর রস

তুলায় করে লেবুর রস ব্রণের জায়গায় লাগিয়ে নিতে পারেন। লেবুর রসের সঙ্গে দারুচিনির মিশ্রণ তৈরি করে, রাতে শুতে যাওয়ার আগে সেটা ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখতে পারেন। সকালে হালকা উষ্ণ পানিতে ধুয়ে নেবেন।

ত্বকে যখন মেছতা, ব্রণ কিংবা চোখের নিচে কালো দাগ পরে যায় তখন মুখের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। এই মুখ নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়াতেই লজ্জা করে। যদিও মেকাপ লাগিয়ে দাগ লুকানো সম্ভব কিন্তু দূর করা সম্ভব না।



তবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে অবলম্বন করতে পারলে মুখের এই বিচ্ছিরি দাগগুলো দূর করা সম্ভব। এই উপায়গুলো উল্লেখ করা হলো-

আলু

মুখের কালো দাগ সরাতে ভালো কাজ করে আলুর রস। এক্ষেত্রে আলুর রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

দুধ ও মধু

দুধ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে কালো দাগের উপর দশ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। টানা কয়েকদিনের ব্যবহারে আপনার মুখের দাগ উধাও হয়ে যাবে।

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা জেল বা রস, মুখের দাগের উপর আলতো হাতে মালিশ করে নিন। প্রত্যেকদিন এর ব্যবহারে আপনার মুখের দাগ মুছে গিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে অ্যালোভেরা থেকে রস বের করে নিন। এর রস লাগানোর আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর রস মুখে দিয়ে মাসাজ করুন। এছাড়া অ্যালোভেরা জেল দিয়ে মাস্ক বানিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।

শসা ও টমেটো

শসা ও টমেটো মুখের উজ্জ্বলতা ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে দুটোই কার্যকরী। কয়েকটি শসার টুকরো নিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে নিন, তাতে সামান্য মধু ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান। টমেটো কেটে মুখে আলতোভাবে ঘষতে থাকুন। তারপর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

পাকা পেঁপে

পাকা পেঁপে কালো দাগ দূর করতে ভালই সাহায্য করে। এক্ষেত্রে পাকা পেঁপের পেস্ট মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। সামান্য লেবুর রস মিশিয়েও তা ব্যবহার করতে পারেন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

লেবু

কালো দাগ তুলতে লেবু খুবই কার্যকরী। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবুর রস ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় ও কালো দাগ দূর করে। দাগের উপর কিছুক্ষণ লেবুর রস ঘষতে থাকুন, শুকিয়ে এলে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় খেজুর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় খেজুর

খেজুর পুষ্টিমানে যেমন সমৃদ্ধ, তেমনি এর রয়েছে অসাধারণ কিছু ঔষধিগুণ। চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয়েছে, সারা বছর খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া, এই ফলটিতে রয়েছে প্রাণঘাতী রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা।

চলুন জেনে নেই খেজুরের কিছু ঔষধি গুণাগুণ;

১. রুচি বাড়াতে খেজুরের কোন তুলনা হয় না। অনেক শিশুরা তেমন একটা খেতে চায় না, তাদেরকে নিয়মিত খেজুর খেতে দিলে রুচি ফিরে আসবে।

২. তুলনামূলকভাবে শক্ত খেজুরকে পানিতে ভিজিয়ে (সারা রাত) সেই পানি খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। তাজা খেজুর নরম এবং মাংসল যা সহজেই হজম হয়।

৩. হৃদপিণ্ডের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন খেজুর খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। গবেষণায় দেখা যায়, পুরোরাত খেজুর পানিতে ভিজিয়ে সকালে পিষে খাওয়ার অভ্যাস হার্টের রোগীর সুস্থতায় কাজ করে।

৪. ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই ফল দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল বিদ্যমান থাকায় অনেক রোগ নিরাময় করা সম্ভব। সাথে সাথে আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে।

৫. খুব দুর্বল লাগছে অথবা দেহে এনার্জির অভাব হচ্ছে? তাহলে ঝটপট খেয়ে নিন খেজুর। তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহের ক্ষেত্রে খেজুরের তুলনা নেই।

৬. খেজুর বিভিন্ন ক্যান্সার থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন খেজুর লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

৭. খেজুরের মধ্যে রয়েছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার ও বিভিন্ন ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড যা সহজে খাবার হজমে সহায়তা করে। এতে করে খাবার হজম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

৮. খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়। ফলে ওজন বেশি বাড়ে না, সঠিক ওজনে দেহকে সুন্দর রাখা যায়।

৯. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য খেজুর খুবই উপকারী।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা

দেশী ফলগুলোর মধ্যে পেয়ারা বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি ফল। সাধারণ এবং সহজলভ্য এই ফলটির পুষ্টিগুণ অনেক। শুধু ফল নয়, পেয়ারা পাতায়ও রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ।

পেয়ারার পুষ্টিগুণ:পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ। একটি পেয়ারাতে ৪ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে একটি মাঝারি আকৃতির কমলা থেকে। ১০ গুণ বেশি ভিটামিন এ রয়েছে লেবুর তুলনায়। এছাড়া ভিটামিন বি২, ই, কে, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, কপার, আয়রন, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম রয়েছে।

উপকারিতা:১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিপেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগের সাথে যুদ্ধ করার শক্তি প্রদান করে।

২। ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাসপেয়ারাতে লাইকোপিন, ভিটামিন সি, কোয়ারসেটিন এর মত অনেকগুলো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা শরীরের ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করে। এটি প্রোসটেট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৩। হার্ট সুস্থ রাখতে১৯৯৩ সালে “Journal of Human Hypertension” এ প্রকাশিত হয় যে নিয়মিত পেয়ারা খেলে রক্ত চাপ ও রক্তের লিপিড কমে। পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, ভিটামিন সি রয়েছে। পটাশিয়াম নিয়মিত হৃদস্পন্দনের এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ভাবে লাইকোপিন সমৃদ্ধ গোলাপি পেয়ারা খেলে কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকি কমায়।

৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেচাইনিজ চিকিৎসা শাস্ত্ররে অনেক বছর ধরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা ব্যবহার হয়ে আসছে। ১৯৮৩ সালে American Journal of Chinese Medicine প্রকাশ করেন যে, পেয়ারার রসে থাকা উপাদান ডায়াবেটিস মেলাইটাসের চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে পেয়ারা পাতাও বেশ কার্যকর। কচি পেয়ারা পাতা শুকিয়ে মিহি গুঁড়ো করে ১ কাপ গরম জলে ১ চা চামচ দিয়ে

৫ মিনিট ঢেকে রেখে তারপর ছেঁকে নিয়ে পান করতে পারেন প্রতিদিন।৫। ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতেবিভিন্ন ঠান্ডাজনিত সমস্যা যেমন ব্রংকাইটিস সারিয়ে তুলতে ভূমিকা রাখে পেয়ারা। উচ্চ পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন সি থাকায় এটি শ্লেষ্মা কমিয়ে দেয়। তবে কাঁচা পেয়ারা ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে কার্যকর।

৬। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৭। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতেভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন এ কর্নিয়াকে সুস্থ রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেয়ারা রাখুন। কাঁচা পেয়ারা ভিটামিন এ এর ভাল উৎস।